Aivonix IT — ব্যবহারবিধি

এই ওয়েবসাইট চালানোর সম্পূর্ণ নিয়ম। যেকোনো অংশে যেতে বাঁ পাশের মেনু ব্যবহার করুন।

অ্যাডমিন প্যানেল আপনার-সাইট.com/admin — এখানেই সব কাজ হয়।

প্রথমেই যা করবেন

  1. পাসওয়ার্ড বদলান
    ডিফল্ট পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে সাথে সাথে বদলে নিন। উপরে ডানে নিজের নাম → Profile।
  2. সাইটের তথ্য বসান
    সেটিংস → যোগাযোগ: ফোন, ইমেইল, ঠিকানা, WhatsApp নম্বর।
    সেটিংস → পেমেন্ট: bKash, Nagad, Rocket নম্বর।
  3. ইমেইল পরীক্ষা করুন
    সেটিংস পাতার উপরে “পরীক্ষামূলক ইমেইল” বোতাম। ইনবক্সে না এলে স্প্যাম দেখুন — সেখানেও না পেলে হোস্টিং কোম্পানিকে SPF ও DKIM বসাতে বলুন।
  4. ছবি বসান
    সেটিংস → মিডিয়া স্লট। প্রতিটা ছবির জায়গা আগে থেকেই তৈরি, শুধু আপলোড করুন।
  5. প্রোডাক্ট যোগ করুন
    ক্যাটালগ → প্রোডাক্ট → নতুন। তারপর প্ল্যান ও স্টক।
ডেমো তথ্য সাইটে এখন কিছু নমুনা প্রোডাক্ট ও অর্ডার আছে। আসল বিক্রি শুরুর আগে ওগুলো মুছে ফেলুন বা বদলে নিন।
↑ উপরে

রোজকার কাজ

প্রতিদিন

  • নতুন অর্ডার দেখে Approve করা
  • 🚨 “টাকা এসেছে, ডেলিভারি বাকি” ট্যাব খালি আছে কি না দেখা
  • সাপোর্ট টিকিটের উত্তর দেওয়া

সপ্তাহে

  • স্টক ফুরিয়ে আসছে কি না (ড্যাশবোর্ডে দেখায়)
  • রিনিউ ট্র্যাকিং — যাদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে তাদের ফোন করা
  • খরচ লিখে রাখা

মাসে

  • কর্মীর কমিশন পরিশোধ
  • হিসাবের খাতায় মাসের লাভ-ক্ষতি দেখা
  • ডেটাবেসের ব্যাকআপ নেওয়া
↑ উপরে

অর্ডার

বিক্রি → অর্ডার

ট্যাবগুলোর অর্থ

ট্যাবকী দেখায়
অপেক্ষমাণটাকা যাচাই করে approve করতে হবে
🔴 টাকা এসেছে, ডেলিভারি বাকি গ্রাহক টাকা দিয়েছে কিন্তু স্টক না থাকায় অ্যাকাউন্ট দেওয়া যায়নি। সবার আগে এটা দেখুন।
হাতে বসানোকর্মীরা যেসব বিক্রি নিজে বসিয়েছে
সম্পন্নডেলিভারি হয়ে গেছে

Approve করলে কী হয়

Approve চাপলেন → স্টক থেকে একটা অ্যাকাউন্ট বসে গেল → মেয়াদ শুরু হলো → গ্রাহক ইমেইল পেল → রেফারেল থাকলে কমিশন জমা হলো → কর্মীর কমিশন বসল → টাকা কোম্পানির হিসাবে ঢুকল
স্টক না থাকলে Approve চাপলে বার্তা আসবে “স্টক শেষ”। তখন কিছুই বদলায় না — অর্ডারও নষ্ট হয় না, অন্য কারো অ্যাকাউন্টও চলে যায় না। স্টক যোগ করে আবার চাপুন।
স্ট্যাটাস হাতে বদলাবেন না অর্ডার খুলে স্ট্যাটাস “approved” করলে ডেলিভারি হবে না — গ্রাহক কিছুই পাবে না। সবসময় Approve বোতাম ব্যবহার করুন।

Reject করলে

অ্যাকাউন্টগুলো স্টকে ফেরত যায়, গ্রাহক কারণসহ ইমেইল পায়, ওয়ালেটের টাকা ফেরত যায়, রেফারেল কমিশন ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

ইনভয়েস

অর্ডারের পাশে “ইনভয়েস” — নতুন ট্যাবে খুলবে। সেখান থেকে প্রিন্ট / PDF চেপে PDF বানিয়ে গ্রাহককে পাঠাতে পারবেন।

↑ উপরে

হাতে বিক্রি বসানো

বিক্রি → অর্ডার → হাতে বিক্রি বসান

ফোনে বা দোকানে অর্ডার নিলে এখান থেকে বসাবেন। গ্রাহককে সাইটে গিয়ে কার্ট ভরতে হবে না।

  1. গ্রাহক — আগের গ্রাহক হলে নাম/ইমেইল/মোবাইল দিয়ে খুঁজুন। নতুন হলে “নতুন গ্রাহক” বেছে ইমেইল দিন।
  2. কী বিক্রি হলো — টুল বা কম্বো, প্ল্যান, মেয়াদ, কয়টা। দাম নিজে থেকেই বসে; ছাড় দিতে চাইলে বদলে দিন।
  3. পেমেন্ট — নগদ / bKash / Nagad / Rocket / বিনামূল্যে।
  4. সেভ — সাথে সাথেই ডেলিভারি হয়ে যাবে।
নতুন গ্রাহকের পাসওয়ার্ড গ্রাহক ইমেইলে একটা লিংক পাবে, সেখানে নিজের পাসওয়ার্ড ঠিক করবে। আপনাকে পাসওয়ার্ড বানিয়ে দিতে হবে না, আর ইমেইলেও পাসওয়ার্ড যায় না — এটাই নিরাপদ।
বাকিতে দিলে “টাকা পাওয়া গেছে” বন্ধ রাখুন। “এখনই ডেলিভারি দিন” বন্ধ রাখলে অর্ডার তৈরি হবে কিন্তু অ্যাকাউন্ট যাবে না — টাকা পেলে Approve চাপবেন।
↑ উপরে

রিনিউ ট্র্যাকিং

বিক্রি → রিনিউ ট্র্যাকিং

কার মেয়াদ কবে শেষ হচ্ছে তার তালিকা। এটাই সবচেয়ে সহজ আয় — যে গ্রাহক আগে কিনেছে তাকে রিনিউ করানো নতুন গ্রাহক আনার চেয়ে অনেক সোজা।

রঙঅর্থ
🔴 লাল৩ দিন বা কম — এখনই ফোন করুন
🟠 কমলা৭ দিনের মধ্যে
🟢 সবুজএখনো সময় আছে

WhatsApp বোতামে চাপলে বার্তা আগে থেকেই লেখা অবস্থায় খুলবে — শুধু পাঠাতে হবে।

মেয়াদ শেষের ৭ দিন আগে গ্রাহক নিজে থেকেও ইমেইল পায়। কত দিন আগে পাঠাবে সেটা সেটিংস → ইমেইল থেকে বদলানো যায়।
↑ উপরে

অনলাইন পেমেন্ট (EPS)

বিক্রি → অনলাইন পেমেন্ট

EPS চালু থাকলে গ্রাহক কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ে টাকা দিলে সাথে সাথেই ডেলিভারি হয়ে যায় — আপনার কিছু করতে হয় না।

ট্যাবঅর্থ
🔴 আটকে আছেটাকা এসেছে কিন্তু ডেলিভারি হয়নি — স্টক দেখুন
চলছেগ্রাহক পেমেন্ট পাতায় আছে
সফল / ব্যর্থশেষ হয়ে যাওয়া লেনদেন
গ্রাহক বলছে টাকা কেটেছে কিন্তু কিছু পাইনি? ওই লেনদেনের পাশে “আবার যাচাই” চাপুন — সরাসরি EPS-কে জিজ্ঞেস করে মিলিয়ে নেবে। সিস্টেম নিজেও প্রতি ৫ মিনিটে এটা করে।
চালু করতে EPS-এর merchant তথ্য লাগবে। ডেভেলপারকে .env ফাইলে বসাতে বলুন। বসানোর আগে চেকআউটে শুধু bKash/Nagad দেখাবে — সাইট চলতে কোনো সমস্যা নেই।
↑ উপরে

প্রোডাক্ট ও স্টক

ক্যাটালগ → প্রোডাক্ট

ডেলিভারির চার রকম

ইউজারনেম/পাসওয়ার্ড স্টক থেকে একটা অ্যাকাউন্ট বসে
লিংক একটা ঠিকানা দেওয়া হয়
ফাইল ডাউনলোড করা যায়
প্রক্সি টুল ব্রাউজারে সরাসরি খোলে

প্ল্যান ও দাম

প্রোডাক্ট খুলে নিচে “প্ল্যান ও দাম” — Personal/Shared, ১ মাস/৩ মাস/৬ মাস/১ বছর। একটাতে “Popular” দিলে কার্ডে কমলা ট্যাব বসে।

স্টক

নিচে “স্টক” — এক এক করে বা একসাথে অনেকগুলো বসানো যায়:

username1|password1|https://login.url username2|password2|https://login.url

প্রতি লাইনে একটা অ্যাকাউন্ট। বিক্রি হয়ে যাওয়া অ্যাকাউন্ট মোছা যায় না — কোন গ্রাহক কোনটা পেয়েছে সেই হিসাব থাকতে হয়।

প্রক্সি টুল ডেলিভারির ধরন “প্রক্সি টুল” করলে তিনটা ঘর আসবে — ঠিকানা, secret, product id। ভরে দিলেই গ্রাহক ড্যাশবোর্ড থেকে সরাসরি টুল খুলতে পারবে।
↑ উপরে

কম্বো / বান্ডেল

ক্যাটালগ → কম্বো

অনেকগুলো টুল একসাথে ছাড়ে বিক্রি। কম্বো খুললে নিচে তিনটা অংশ:

অংশকাজ
প্ল্যান ও দামমেয়াদ ধরে দাম
ভেতরের টুলকোন কোন টুল থাকবে, আলাদা কিনলে দাম কত
বাড়তি সুবিধা“২৪/৭ সাপোর্ট” — এমন বাড়তি লাইন
“Total Value” নিজে থেকেই হিসাব হয় ভেতরের টুলগুলোর “আলাদা কিনলে দাম” যোগ করে। তাই কত সাশ্রয় হচ্ছে সেটা হাতে লিখতে হয় না, আর ভুলও হয় না।
↑ উপরে

কুপন

বিক্রি → কুপন

শতাংশ বা নির্দিষ্ট টাকার ছাড়। সর্বনিম্ন অর্ডার, সর্বোচ্চ ছাড়, কতবার ব্যবহার হবে, মেয়াদ — সব বেঁধে দেওয়া যায়।

“কতবার ব্যবহার হয়েছে” নিজে থেকেই বাড়ে — হাতে বদলানো যায় না, তাই সীমাটা সবসময় ঠিক থাকে।
↑ উপরে

গ্রাহক ও ওয়ালেট

গ্রাহক ও সাপোর্ট → ব্যবহারকারী

গ্রাহক খুললে দেখবেন — অর্ডারের ইতিহাস, ওয়ালেটের ব্যালেন্স, রেফারেল কোড ও তার আয়।

গ্রাহক মোছা যায় না তার অর্ডার ও ডেলিভারির ইতিহাস তার সাথেই যুক্ত। ঝামেলা করলে ব্লক করুন — লগইন করতে পারবে না।

ওয়ালেট

গ্রাহক ও সাপোর্ট → ওয়ালেট

প্রতিটা টাকার নড়াচড়া এখানে — কোথা থেকে এল, কোথায় গেল। উপরে “টাকা যোগ / বাদ” দিয়ে হাতে সমন্বয় করা যায় (ক্ষতিপূরণ, প্রচারণা)। গ্রাহক কারণটা তার ইতিহাসে দেখতে পাবে।

↑ উপরে

রেফারেল

প্রতিটা গ্রাহকের নিজের কোড ও লিংক আছে। কেউ সেই কোডে কিনলে —

ক্রেতা পায় → ছাড় (ডিফল্ট ১০%) রেফারকারী পায় → ওয়ালেটে জমা (ডিফল্ট ৫%)

দুইটা শতাংশই সেটিংস → “রেফারেল ও ওয়ালেট” থেকে বদলানো যায়।

জালিয়াতি ঠেকানো আছে
  • কমিশন জমা হয় অর্ডার approve হওয়ার পর — ভুয়া অর্ডার দিয়ে ওয়ালেট ভরানো যায় না
  • নিজের কোড নিজে ব্যবহার করা যায় না
  • ডিফল্টে শুধু প্রথম অর্ডারে চলে
  • অর্ডার বাতিল হলে কমিশন ফিরিয়ে নেওয়া হয়
↑ উপরে

সাপোর্ট টিকিট

গ্রাহক ও সাপোর্ট → সাপোর্ট টিকিট

টিকিট খুলে নিচে “উত্তর দিন”। উত্তর দিলে অবস্থা নিজে থেকেই “উত্তর দেওয়া হয়েছে” হয়ে যায় — হাতে বদলাতে হয় না।

↑ উপরে

পেজ, ব্লগ, নোটিশ, ভিডিও

কোথায়কীঠিকানা
কনটেন্ট → পেজAbout, Terms, Privacy…/about-us
কনটেন্ট → ব্লগটিপস, গাইড/blog
কনটেন্ট → নোটিশঘোষণা, অফার/notices
কনটেন্ট → ভিডিওYouTube টিউটোরিয়াল/tutorials
কনটেন্ট → টেস্টিমোনিয়ালগ্রাহকের মতামতহোম পেজে
বাংলা শিরোনাম দিলে “URL slug” ঘরটা খালি হয়ে যেতে পারে — তখন ইংরেজিতে হাতে লিখে দিন (যেমন chatgpt-guide)।
ভিডিও পুরো YouTube লিংক পেস্ট করলেই চলবে — সিস্টেম নিজেই ID বের করে নেবে।
প্রকাশের সময় ভবিষ্যতের তারিখ দিলে লেখা এখনই দেখাবে না — অফার আগেভাগে লিখে রেখে দিতে পারবেন।
↑ উপরে

সুরক্ষিত রিসোর্স

কনটেন্ট → সুরক্ষিত রিসোর্স

যা শুধু নির্দিষ্ট প্রোডাক্ট কিনলে খুলবে। পাঁচ রকম:

📄 পেজসদস্যদের জন্য লেখা
💾 ফাইলডাউনলোড, সীমা বেঁধে দেওয়া যায়
📁 ফোল্ডারসার্ভারের ফোল্ডার লক
🔗 স্ক্রিপ্টসাবডোমেইনের PHP ফাইল
🌐 লিংকবাইরের ঠিকানা

নিয়ম একটাই: কোন প্রোডাক্ট বা কম্বো কিনলে এটা খুলবে সেটা বেছে দিন। কম্বো দিলে তার ভেতরের সব টুলও গোনা হয়।

কিছু না দিলে লগইন করা যেকোনো গ্রাহক খুলতে পারবে। পুরোপুরি বন্ধ রাখতে “চালু” বন্ধ করুন।
ফোল্ডার ও সাবডোমেইনের স্ক্রিপ্ট বসাতে ডেভেলপারের সাহায্য লাগবে — নিয়ম docs/PROTECTED-RESOURCES.md ফাইলে লেখা আছে।
↑ উপরে

ছবি বদলানো

সেটিংস → মিডিয়া স্লট

সাইটের প্রতিটা ছবির জন্য আলাদা “স্লট” আগে থেকেই তৈরি। যে ছবিটা বদলাতে চান সেটা খুলে নতুন ছবি আপলোড করুন — সাথে সাথেই সাইটে বদলে যাবে।

নতুন স্লট বানানো বা মোছা যায় না — নামগুলো কোডে লেখা। নতুন জায়গায় ছবি লাগলে ডেভেলপারকে বলুন।
↑ উপরে

কর্মীর কমিশন

নিয়ম ঠিক করা

হিসাব → কমিশনের ধাপ

দুইটা পদ্ধতি — সেটিংস → হিসাব থেকে বাছুন:

পদ্ধতিকীভাবে
ধাপ (slab)৳০–৫০০ হলে ৳৩০, ৳৫০১–১০০০ হলে ৳৬০…
শতাংশবিক্রির নির্দিষ্ট শতাংশ

দুইটাতেই নতুন গ্রাহক ও রিনিউ আলাদা হার — নতুন গ্রাহক আনা কঠিন, তাই সেখানে বেশি রাখতে পারেন।

কমিশন দেওয়া

হিসাব → কর্মীর কমিশন

“পাওনা” ট্যাবে যা আছে তা এখনো দেওয়া হয়নি। মাস শেষে কর্মীর নাম দিয়ে ছেঁকে, সব বেছে “সব দেওয়া হয়েছে” চাপুন। টাকা কোম্পানির হিসাব থেকেও কেটে যাবে।

কমিশন বসে অর্ডার approve হওয়ার পর, বিক্রি লেখার সাথে নয়। অর্ডার বাতিল হলে কমিশনও বাতিল — তবে ইতিমধ্যে টাকা দিয়ে দিলে সেটা কেড়ে নেওয়া হয় না, শুধু নোটে লেখা থাকে।
কর্মী নিজে কী দেখে? লগইন করলেই ড্যাশবোর্ডে — এই মাসে কত বিক্রি, কত কমিশন পাওনা, মোট কত পেয়েছে।
↑ উপরে

হিসাবের খাতা

হিসাব → হিসাবের খাতা

উপরে — কোম্পানির অবস্থা

হাতে টাকা + স্টকের দাম + স্থায়ী সম্পদ − বাকি লোন = কোম্পানির মোট মূল্য

মাঝে — মাসের লাভ-ক্ষতি

আয় (বিক্রি) বনাম ব্যয় (খরচ + কর্মীর কমিশন + রেফারেল কমিশন)। উপরের মেনু থেকে মাস বদলে দেখতে পারবেন।

আয় গোনা হয় অর্ডার থেকে, হাতে ঢোকানো টাকা থেকে নয় — তাই কেউ কিছু লিখতে ভুলে গেলেও বিক্রির হিসাব ঠিক থাকে।

উপরের তিনটা বোতাম

টাকা ঢোকান / বের করুন মালিকের বিনিয়োগ, ব্যাংক থেকে তোলা, গণনার ভুল ঠিক করা
মাসিক সমন্বয় সাইটের বাইরে হওয়া আয় বা খরচ রিপোর্টে যোগ করা
স্থায়ী সম্পদ কম্পিউটার, আসবাব — কোম্পানির মূল্যে যোগ হবে

খরচ

হিসাব → খরচ

খরচ বসালে কোম্পানির হিসাব থেকে টাকা নিজে থেকেই কাটে। রসিদের ছবিও রাখা যায়।

লোন

হিসাব → লোন

মালিক বা কেউ ব্যবসায় টাকা দিলে এখানে লিখুন। কিস্তি দিলে নিচে যোগ করুন — পুরো শোধ হলে নিজে থেকেই “শোধ হয়েছে” হয়ে যাবে।

↑ উপরে

সেটিংস

সেটিংস → সাইট সেটিংস

ট্যাবকী আছে
সাধারণসাইটের নাম, ট্যাগলাইন, বর্ণনা
যোগাযোগফোন, ইমেইল, ঠিকানা, WhatsApp
সোশ্যালFacebook, YouTube… লিংক
পেমেন্টbKash, Nagad, Rocket নম্বর
ইমেইলকোন ইমেইল চালু, কোথায় বিজ্ঞপ্তি যাবে
রেফারেল ও ওয়ালেটছাড় ও কমিশনের হার
হিসাবকমিশনের পদ্ধতি
হোম পেজ / অন্যান্য পেজসাইটের প্রায় সব লেখা
সাইটের লেখা বদলাতে কোড লাগে না হোম পেজের শিরোনাম, বোতামের লেখা — প্রায় সবই এখান থেকে। সেভ করলেই সাথে সাথে বদলে যায়।
↑ উপরে

কর্মী ও অনুমতি

নতুন কর্মী যোগ করতে: গ্রাহক ও সাপোর্ট → ব্যবহারকারী → নতুন, তারপর রোল বেছে দিন।

কাজSuper Adminম্যানেজারস্টাফ
অর্ডার approve✅✅✅
হাতে বিক্রি বসানো✅✅✅
টিকিটের উত্তর✅✅✅
প্রোডাক্ট ও দাম বদলানো✅✅❌
কনটেন্ট লেখা✅✅❌
সেটিংস✅❌❌
হিসাব ও লোন✅❌❌
কমিশন পরিশোধ✅❌❌
অ্যাডমিন লগ✅❌❌
রোল শুধু Super Admin বদলাতে পারে — নইলে ম্যানেজার নিজেকে Super Admin বানিয়ে ফেলতে পারত।

কে কখন কী করেছে দেখতে: সেটিংস → অ্যাডমিন লগ

↑ উপরে

সমস্যা হলে

গ্রাহক ইমেইল পাচ্ছে না

  1. সেটিংস → “পরীক্ষামূলক ইমেইল” চাপুন
  2. স্প্যাম ফোল্ডার দেখুন
  3. সেখানেও না পেলে হোস্টিং কোম্পানিকে SPF ও DKIM বসাতে বলুন

“টাকা কেটেছে কিন্তু কিছু পাইনি”

  1. বিক্রি → অনলাইন পেমেন্ট → আটকে আছে ট্যাব
  2. ওই লেনদেনে “আবার যাচাই” চাপুন
  3. না থাকলে স্টক দেখুন — স্টক যোগ করে Approve চাপুন

Approve চাপলে “স্টক শেষ” বলছে

ক্যাটালগ → প্রোডাক্ট → ওই প্রোডাক্ট → স্টক — নতুন অ্যাকাউন্ট যোগ করে আবার Approve চাপুন। কিছুই নষ্ট হয়নি।

ছবি দেখা যাচ্ছে না

ডেভেলপারকে php artisan storage:link চালাতে বলুন।

সাইটে বদল দেখা যাচ্ছে না

ডেভেলপারকে php artisan optimize:clear চালাতে বলুন।

গ্রাহক লগইন করতে পারছে না

ব্যবহারকারী তালিকায় দেখুন ব্লক করা আছে কি না। পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে লগইন পাতার “Forgot password” ব্যবহার করতে বলুন।

⚠️ যা কখনো করবেন না
  • অর্ডারের স্ট্যাটাস হাতে “approved” করা — ডেলিভারি হবে না
  • বিক্রি হয়ে যাওয়া স্টক মোছার চেষ্টা
  • ডেটাবেসে সরাসরি টাকার অঙ্ক বদলানো
  • _reference ফোল্ডার সার্ভারে আপলোড করা
↑ উপরে

সাহায্য

ডেভেলপারের জন্য বিস্তারিত docs/ ফোল্ডারে:

  • PROJECT-MAP.md — ⭐ পুরো সিস্টেমের ম্যাপ, গঠন ও নিয়ম (এক ফাইলেই সব)
  • DEPLOY.md — সার্ভারে তোলা
  • CRON.md — cron বসানো
  • PROTECTED-RESOURCES.md — সুরক্ষা বসানো

এই পাতাটা Ctrl + P চেপে ছাপাতে বা PDF করতে পারবেন।